চৈতালি চৌধুরীর কবিতা শেয়ার করেছি
প্রণব কুমার কুণ্ডু
আবির রাঙা আকাশে ওদের তিনজনকে ভারি ভালো লাগে !
গ্রীষ্মের রোদ্দুর যেন ওদের পুড়িয়ে দিত !
আবার বর্ষার ঝড়বৃষ্টিতে কেমন মাথা দুলিয়ে দুলিয়ে নাচতো
একে অপরের স্পর্শ পেতো !
শীতে কেমন শুকিয়ে যেতো...
আমার মনে বেঁচে আছে ওই তালগাছ !
আজও ঝড় ওঠে...
তিন মাথা আর এক হয় না !
প্রণব কুমার কুণ্ডু
তিনটে তালগাছ ও আমি
আমার পশ্চিমের জানলা দিয়ে দূরে দেখা যায় তিনটে তালগাছ
পুবের সোনালী রোদে ওদের সবুজ পাতা ঝকঝক করে
পশ্চিমের সূর্য ঢলে পড়ে ঠিক ওদের পিছন দিয়ে।
তখন কি সুন্দর দৃশ্য--
পুবের সোনালী রোদে ওদের সবুজ পাতা ঝকঝক করে
পশ্চিমের সূর্য ঢলে পড়ে ঠিক ওদের পিছন দিয়ে।
তখন কি সুন্দর দৃশ্য--
আবির রাঙা আকাশে ওদের তিনজনকে ভারি ভালো লাগে !
গ্রীষ্মের রোদ্দুর যেন ওদের পুড়িয়ে দিত !
আবার বর্ষার ঝড়বৃষ্টিতে কেমন মাথা দুলিয়ে দুলিয়ে নাচতো
একে অপরের স্পর্শ পেতো !
শীতে কেমন শুকিয়ে যেতো...
বেশ চলছিল জীবন..
ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠে রোজ দেখতাম ওদের
কথা হতো মনে মনে -
মন খারাপের বিকালে একা বসে থাকলে -
ওরা মাথা নেড়ে নেড়ে হাসাতো আমায়।
ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠে রোজ দেখতাম ওদের
কথা হতো মনে মনে -
মন খারাপের বিকালে একা বসে থাকলে -
ওরা মাথা নেড়ে নেড়ে হাসাতো আমায়।
হঠাৎ সেদিন বিনা মেঘে বজ্রপাত !
আমি তো তখন নিজের ঘর সামলাতে ব্যস্ত
টিভি ফ্রিজ মাইক্রোওভেনের প্লাগ খুলতেই ব্যস্ত..
তিনটে গাছের একটার উপর বাজ পড়েছিল।
আমি তো তখন নিজের ঘর সামলাতে ব্যস্ত
টিভি ফ্রিজ মাইক্রোওভেনের প্লাগ খুলতেই ব্যস্ত..
তিনটে গাছের একটার উপর বাজ পড়েছিল।
বুঝতেই পারিনি আমি!
একটা একটা করে পাতা শুকিয়ে যাচ্ছিলো..
পাতাহীন কাণ্ডটা দাঁড়িয়ে আছে
পাশে ওরা দুই জন !
একটা একটা করে পাতা শুকিয়ে যাচ্ছিলো..
পাতাহীন কাণ্ডটা দাঁড়িয়ে আছে
পাশে ওরা দুই জন !
আচ্ছা ! সঙ্গী হারিয়ে ওদের খুব কষ্ট না !
এখনও আমি রোজই দেখি
মনে মনে কথা বলি...
পশ্চিমে সূর্য অস্ত যায়।
সব একই আছে শুধু--
এখনও আমি রোজই দেখি
মনে মনে কথা বলি...
পশ্চিমে সূর্য অস্ত যায়।
সব একই আছে শুধু--
আমার মনে বেঁচে আছে ওই তালগাছ !
আজও ঝড় ওঠে...
তিন মাথা আর এক হয় না !
