★পুরাকালে দেবাদিদেব মহাদেবের অংশস্বরূপ জ্যোতিঃপুঞ্জ থেকে বাবা কালভৈরব আবির্ভূত হয়েছিলেন !
(((((((((((মহাকাল)))))))))))
শক্তিসঙ্গমতন্ত্র অনুসারে
কালীর এই দাম্পত্যসঙ্গী
অত্যন্ত ভয়-উদ্রেককারী।
মহাকাল ষষ্ঠভুজ
ত্রিনেত্রযুক্ত
এবং এক কোটি কৃষ্ণবর্ণ অগ্নির বিগঠনের দীপ্তিসম্পন্ন !
আটটি শ্মশানভূমির মধ্যস্থলে তিনি বাস করেন।
তিনি আটটি মাথার খুলি দ্বারা ভূষিত।
পাঁচটি মানুষের শবের উপর আসীন
হাতে
একটি ত্রিশূল
একটি পাত্র
একটি তলোয়ার
এবং একটি খড়্গ ধারণ করে থাকেন।
তিনি শ্মশানভূমির ভস্ম দ্বারা শোভিত
এবং বেশকিছু সংখ্যক উচ্চৈঃস্বরে তীক্ষ্ণ চিৎকাররত শকুন ও শিয়াল দ্বারা পরিবেষ্টিত।
এদের মধ্যে, তাঁর পাশে তাঁর সঙ্গিনী মহাকালী অধিষ্ঠিতা
এবং
তাঁরা উভয়ে মিলে
সময়ের প্রবাহকে প্রকাশ করেন।
মহাকাল ও মহাকালী উভয়েই ব্রহ্মের অন্তিম বিধ্বংসী শক্তিকে প্রকাশ করেন
এবং তাঁরা কোনো নিয়মনীতির দ্বারা আবদ্ধ নন।
এমন কি, সময় ও মহাশূন্যকে নিজেদের মধ্যে দ্রবীভূত করার শক্তি তাঁদের আছে
এবং ব্রহ্মাণ্ডের বিচূর্ণীভবনের সময় তারা শূন্যাবস্থায় বর্তমান থাকেন।
তারা কল্পের অবসানে ব্রহ্মাণ্ডের বিগঠনের জন্য দায়ী।
তারা মহা অশুভ ও মহা অসুরদেরও বিলোপসাধন করেন
যখন অন্যান্য দেবতাগণ এমনকি ত্রিমূর্তিও তা করতে ব্যর্থ হন।
মহাকাল এবং মহাকালী পুরুষ, নারী, শিশু, জীবজন্তু, বিশ্বচরাচর ও সম্পূর্ণ ব্রহ্মাণ্ডকেও কোনোরকম অনুকম্পা ছাড়াই পূর্ণধ্বংস করেন
কারণ তারা হলেন মূর্তিমান কাল বা সময়
আর সময় কোনোকিছুর দ্বারা আবদ্ধ নয়
এবং সময় কোনো কিছু বা কারোর জন্য অনুকম্পা, প্রতীক্ষা প্রদর্শন করে না।
হিন্দু পুরাণ মতে,
কালভৈরব কাল বা সময়ের শাসক।
প্রতিটি হিন্দু মন্দিরে কালভৈরবের মূর্তি রয়েছে।
তিনি সেই মন্দিরের রক্ষক হিসেবে বিবেচিত হন।
শিব মন্দিরে কালভৈরব এক বিশেষ ভূমিকা পালন করেন।
তিনি ওই মন্দিরের চাবির রক্ষক বলে গণ্য হন।
ভৈরব আট প্রকারের।
প্রত্যেক ভৈরবের একজন করে ভৈরবী থাকেন।
অষ্টাঙ্গ ভৈরবের নামগুলি এই প্রকার
অসিতাঙ্গ ভৈরব
রুরু ভৈরব
চণ্ড ভৈরব
ক্রোধ ভৈরব
উন্মত্ত ভৈরব
কপালি ভৈরব
ভীষণ ভৈরব
ও সংহার ভৈরব।
সূত্র এবং সংযোজনা : 🌷🌷 মধুর হরিনাম সংকীর্তন🌹🌹(Modur Horinam Songkirton) ও উইকিপিডিয়া।
সহায়তায় : প্রণব কুমার কুণ্ডু
