রামকৃষ্ণদেব ( কবিতা )
রামকৃষ্ণদেবের
হাতে
আগুন তোলবার
চিমটা ছিল না।
মাথায়
জটাজুট
ছিল না।
গায়ে
শিবঠাকুরের মতন
ভস্ম ছিল না।
শ্রীরামকৃষ্ণের
কালীমায়ের সাথে
কথা বলা
কালীমাকে
খাওয়ানো
কালীমাকে
শাড়ি পরানো
কালীমায়ের
ল্যাংটা ঘোচানো
এইগুলিই ছিল
শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণদেবের
অহংকার।
আর
অহংকার ছিল
নরেনের মতন
শিক্ষিত ছেলেকে
হিপ্নোটাইজ করে
বশীভূত করা।
তারপরে
নরেনের
গুরুদেব হওয়া।
সেটাও ছিল
তাঁর
অহংকার।
শ্রীরামকৃষ্ণদেব
তান্ত্রিক মতে
সাধনা
করেছিলেন।
সাধনা করার পরে
সেই অপূর্ব সুন্দরী
অল্পবয়সী
যুবতি সাধিকাকে
আর
খুঁজে পাওয়া
যায় নি।
ঐ না পাওয়া যাওয়াটাও
ছিল
যুবক রামকৃষ্ণদেবের
সত্যিকারের
আহংকার।
রামকৃষ্ণ
মুসলমান ধর্মমতে
সাধনা করেছিলেন।
তা করতে গেলে
লিঙ্গমুণ্ডের
ত্বকছেদন
করা তো
ছিল
অবশ্যকর্তব্য।
তিনি
তা
করেছিলেন ?
তিনি যদি তা
না করে থাকেন
ব্যথার ভয়ে
তবে তাও ছিল
রামকৃষ্ণদেবের
অহংকার।
No comments:
Post a Comment