Wednesday, November 2, 2016

ফুলে ফুলে মৌমাছি

ফুলে ফুলে মৌমাছি


কত কবিতায় লেখা হয়
মৌমাছিরা ফুলে ফুলে
উড়ে বেড়ায়।
ফুল থেকে ফুলের মিষ্টি শর্করা
পরাগ 
জল
এবং
উদ্ভিদ থেকে
উদ্ভিজ্জ আঠা
 মোম
তারা সংগ্রহ করে।
নিজের মুখের এনজাইমের সাহায্যে
ফুলের মিষ্টি শর্করা পরিবর্তিত করে
মৌমাছিরা মধু বানায় !
কিছু খায়।
কিছু মৌচাকের মধুকুঠুরিতে
মোম দিয়ে কুঠুরির মুখ বন্ধ করে 
সঞ্চয় করে রাখে।
কিন্তু ঐ মৌমাছিরা
পুরুষ মৌমাছিও নয়
রানি মৌমাছিও নয়।
পুরুষ মৌমাছিরা
আর রানি মৌমাছি
এক মিলনপ্রক্রিয়া ছাড়া
সাধারণত
চাক থেকে বেরোয় না !
কখনও নতুন মৌচাক সৃষ্টির
দরকার পড়লে
তখন অবিশ্যি
ওরা
এক চাক থেকে
অন্য নতুন চাকে
উড়ে চলে যায়।
ওদের ফুলে ফুলে
উড়ে বেড়াতে দেখা যায় না
উড়ে বেড়াতে হয় না
ওটা ওদের কাজও নয়
সেই কাজে আগ্রহও তাদের নেই
কাজেই মধুসংগ্রহের ব্যাপারে
ওদের উপযোগিতাও নেই !

ফুলে ফুলে যে মৌমাছিগুলো
আমরা উড়তে দেখি
ওরা সব 
তরুণ তেজী কর্মী মৌমাছি।
ওরাই ফুলের শর্করা
সংগ্রহ করে
পরাগ সংগ্রহ করে
ফুলের থেকে জল সংগ্রহ করে।
উদ্ভিদ থেকে সংগ্রহ করে
উদ্ভিজ্জ আঠা
মোম।
মৌচাকে ফিরে এসে
সেগুলো তারা 
চাকের অন্য কর্মী মোমাছিদের
দেয়।


চাকের অন্য কর্মী মৌমাছিরা
সেগুলোর যথাযথ ব্যবস্থা করে।
তারা
মুখের লালার এনজাইমের সাহায্যে
ফুলের শর্করা থেকে
মৌমাছির মধু
তৈরী করে।
মৌচাকের ভেতরের সব কাজ করে
বয়স্ক কর্মী মৌমাছিরা।

ফুলশর্করা সংগ্রহকারী
 তরুণ তেজী কর্মীমৌমাছিরা
প্রচণ্ড পরিশ্রমে 
ওরা সব তন্বী।
ওরা তরুণী
তবে বাঁজা !

No comments:

Post a Comment